fbpx

জামিল হাদীর কবিতা

হে বন্ধু

মান্যবর, আছো কেমন?

ঘুম থেকে জাগলে নাকি এখনো ঘুমায়েই কাঠ হয়ে আছো।

 

চোখ খুলতে হবেনা। আমাকে তুমি চেনো।

কন্ঠস্বরেই কথা হোক।

চোখ পড়ে থাক অচেনায়।

কী আসে যায়!

 

চাইলে বোর্দলেয়ারের কবিতার বোতাম ছিঁড়ে আমিও কিছুটা ময়ূর সাজতে পারতাম বন্ধু তোমার মতো।

 

ফরেনসিকে ধরতে পারতো না কোনো শ্যালক সন্তান মানে শালার পো।

 

চাইলে একদম তুড়ি দিয়ে বোর্হেসের কম্বল চুরি করে নিতে পারতাম। তারপর লোরকার গায়ে দোষ চাপিয়ে বেরিয়ে যেতাম উত্তরাধুনিক লেখালিখির জোব্বা গায়ে চাপিয়ে।

তুমিই ধন্য ধন্য করে মূর্ছা যেতে সেদিন।

 

চার পাঁচটা গালভরা নাম,

কিছু ক্লিশে Jargon মিলিয়ে তোমাকে কাকতাড়ুয়া বানাতে আমার বিশেষ কোনো ক্ষমতা প্রাপ্তির দরকার নেই। হবেওনা কোনোদিন।

 

তাই হার মানছি।

আমি কখনোই তোমার মত হতে পারবো না।

এমনকি তোমার সমকক্ষও না।

 

কারণ

আমি তোমার মত কাউকে কিছু দেখিয়ে দিতে আসিনি বন্ধু।

আমি সবুজাভ সহজাত।

 

আমি নিজেকে দেখতে এসেছি।

তুমি ঘুমাও।

 

 

আর্টিলারি

সবাই তাক করে বসে থাকে।

তোপ।

এতোবড় মারণাস্ত্র নিয়ে মানুষ ঘোরাফেরা করে অথচ

মানুষ মারার জন্যে মেশিনগান বানিয়েছিলো কোন্ এক পাগলে! কে সে?

 

এমনকি মানুষ মারতে হাত পাও তো লাগার কথা না।

জিহ্বার চেয়ে বড় অ্যাটম বোম আর কিছু আছে নাকি?

 

কন্ঠনালীর চেয়ে বড় কামান কারা বানিয়েছে একটু বলেন শুনি!

 

মানুষ সর্বৈবভাবে একাই একটি দুর্ধর্ষ তাতার বাহিনী।

 

তবে ঐ তোপ তারা ব্যবহার করে ব্যক্তিগত জিঘাংসা মেটাতে।

ঐ মারণাস্ত্র তারা ভাড়া করে সাধককে খুন করার জন্যে।

 

যদি পার্লামেন্ট বরাবর তোপটা কায়দা করে তারা দেগে দিতে পারতো!

 

আহ! কী সিন!  ভাবতেই গায়ে ১৪ই ফেব্রুয়ারী খেলা করে!

 

আরো পড়ুন: বদরুজ্জামান আলমগীরের কবিতা

গুগল নিউজে ফলো করুন: সুধাপাঠ

 

One thought on “জামিল হাদীর কবিতা

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!